মতিয়া চৌধুরীকে প্রত্যাহার করায় শেরপুর আ. লীগে টানটান উত্তেজনা !!

| - By

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডিল সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মতিয়া চৌধুরীকে প্রত্যাহারের জন্য কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ এবং আরও পাঁচ নেতাকে বহিষ্কারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শেরপুরের দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শনিবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় চকবাজার দলীয় কার্যালয়ে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শেরপুর-২ আসনের এমপি কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীকে জেলার সব কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ নিয়ে গত শনিবার ১৯ মে রাতেই শেরপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা সড়ক এক ঘণ্টা অবরোধ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের একাংশ। এপরে দিন রবিবার ২০ মে দুপুরে আওয়ামী লীগের একটি অংশ শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিকের কুশ পুত্তলিকা দাহ, ঝাড়ু মিছিল এবং সংবাদ সম্মেলন করেছে।

বিষয়টি নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হাসান উৎপল বলেন, ‘নিয়ম মেনেই কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ও সংসদ সদস্য ফজলুল হক চাঁনসহ অন্য নেতাদের বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি দলীয় সভানেত্রীর কাছে সাক্ষাৎ করে বলতে চাই।’

অন্যদিকে মতিয়া চৌধুরীর সমর্থিত নেতারা বলেছেন, জেলা আওয়ামী লীগে একপেশে কমিটি হওয়ার পর থেকেই আমরা এ কমিটির প্রতি অনাস্থা দিয়ে কেন্দ্রে আপিল করেছি। আপিলের শুনানি চলা অবস্থায় এ কমিটি কারো বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে না। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর রুমান ও শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানুর নেতৃত্বাধীন নেতারার এমনটা বলেছেন।

বহিষ্কৃত সভানেত্রী শামসুন্নাহার কামাল বলেন, ‘এ কমিটির সিদ্ধান্তে আমাদের যায় আসে না। আগামী সংসদ নির্বাচনে হুইপ আতিককে যেন মনোনয়ন না দেওয়া হয় এজন্য কেন্দ্রের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। কারণ তিনি দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত।’ শামসুন্নাহার কামাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী।




Leave a reply