জানা গেল যে কারণে বাংলাদেশে আসলেন প্রিয়াঙ্কা

| - By

সাত বছরের শিশু ফাদিকে দেখা গেল শিক্ষকের ভূমিকায়! তাও যেনোতেনো কারো শিক্ষক বনে যায়নি সে! সুযোগ পেয়ে বলিউডের তারকা অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার শিক্ষক বনে গিয়েছিলো সে। হাতে নাতে আরবি হরফে প্রিয়াঙ্কাকে ফাদি শিখিয়ে দিচ্ছিলো তার নামের বানান। প্রিয়াঙ্কাও ইংরেজি হরফে ফাদিকে শিখিয়ে দিয়েছিলেন তার নামের বানান। প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার একটি ভিডিও ক্লিপের বর্ণনা এটা।

ঘটনাটি গেল বছর সেপ্টেম্বরের। জর্দানে ফাদি নামে এক শিশুর সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার এমন ভিডিওটি সোশাল মিডিয়ায় বেশ ছড়িয়ে ছিলো। যে শিশুটি ছিলো মূলত যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরীয়ার। বাবা মায়ের সঙ্গে পালিয়ে শিশুটি শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিয়েছিলো জর্দানে। মূলত সেখানেই ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বলিউডের এই অভিনেত্রী।

প্রায় বছর খানেকের মধ্যে সেই প্রিয়াঙ্কাই এবার এলেন বাংলাদেশে। হঠাৎই যেনো তিনি এলেন এবং অবশ্যই ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হয়েই। এবারও উদ্দেশ্য শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানো। হ্যাঁ, বলছিলাম বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের কথা। তাদের অবস্থা জানতেই, রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করতেই হঠাৎ বাংলাদেশে এসেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তাও সোজা লন্ডন থেকে!

গেল শুক্রবার থেকেই লন্ডনে অবস্থান করছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ভারত থেকে টানা দশদিনের ছুটি নিয়ে ব্রিটেনের দ্বিতীয় রানী এলিজাবেথের নাতি প্রিন্স হ্যারি ও অভিনেত্রী মেগান মার্কেলের রাজকীয় বিয়ের অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। শনিবার দুপুরে রাজকীয় বিয়েতে উপস্থিততো ছিলেনই, সেদিন রাতে তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনাতেও ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। হলিউড তারকাদের পাশাপাশি তিনিও ছিলেন লাইম লাইটে। লন্ডনেই রবিবার দিনটা অবসর কাটিয়েছেন। কথা ছিলো পুরো সপ্তাহই এখানে কাটিয়ে দেশে ফিরে শুটিংয়ে অংশ নিবেন। কিন্তু সোমবার সকালেই শোনা গেল, হঠাৎ রোহিঙ্গা সফরে বাংলাদেশে এসেছেন হলিউড ও বলিউডের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী!

সকালে লন্ডন থেকে সোজা ঢাকায় নামার পর সেখান থেকে কক্সবাজারের ইনানীতে পাঁচ তারকা হোটেল রয়েল টিউলিপে উঠেছেন প্রিয়াঙ্কা। এরপর সেখান থেকে বিকেল ৪টার দিকে মেরিন ড্রাইভ হয়ে টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান। সেখানে অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের সাথে সময় কাটান তিনি। বিশেষ করে রোহিঙ্গা শিশুদের সাথে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।




Leave a reply